Showing posts with label ওহ্ ইসমাইল তুমি তাকে বোঝাও. Show all posts
Showing posts with label ওহ্ ইসমাইল তুমি তাকে বোঝাও. Show all posts

Monday, October 14, 2019

ওহ্ ইসমাইল, তুমি তাকে বোঝাও



মির জালাল (Mir Cəlal Paşayev, 1908-78)


শোনা যায়, উৎকোচ আদানপ্রদান রোধে নানা ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে। সেটা কিছুটা সত্যিও বটে। এখন সমস্যা হল—উৎকোচের সংজ্ঞা ও সীমা নির্ধারণ করা। উৎকোচ হল কোনও বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীর দাবি যা নীতিসংগত নয়। আমি চাহিদামত কিছু অর্থ দিলাম আর তিনি আমার কোনও একটা কাজ করে দিলেন (আইনের বাধা এড়িয়ে), উৎকোচ বলতে কি কেবল এই?
          অন্য একধরণের উদাহরণও আছে, আমার হয়তো কোনও মন্ত্রী বা আমলার সঙ্গে বিশেষ জানাচেনা, বাড়িতে কোনও বিশেষ ভোজ হলে আমি তাঁকে ডিনারে নেমন্তন্ন করলাম। এক শ্রেণির পণ্ডিত বলেন, এ এক ভিন্ন প্রকারের হারামি। অর্থের বদলে এখানে বস্তু বা সেবার বিনিময় ঘটছে।

[দুদিকে দুই অন্ধ, গোঁড়া ইসলামি রাষ্ট্র ইরান আর কমিউনিস্ট শাসন-ধন্য সোভিয়েত; দুদিকে দুই উদ্দত থাবা, সংক্রামক ধর্মীয় গোঁড়ামি আর দীর্ঘ-দীর্ঘকাল সম্পাদনাহীন স্থবির একটি বিশালবপু রাজনৈতিক মতবাদ। মাঝখানে তৈলভাণ্ডারে সমৃদ্ধ এবং সামরিক ও রাজনৈতিক ভাবে প্রায় নির্বল একটি ভূখণ্ড। যেন প্রাণভয়ে প্রহর গুণতে থাকা একটি খরগোশ। সহজ কথায় এই হল আজারবাইজানের ইতিহাস। দেশটির ভাষা সাহিত্য ও সংস্কৃতির বহু গভীরে শেকড় চারিয়ে দিয়েছে রুশ ও ইরানি প্রভাব। অথচ কী আশ্চর্য, কামারশালায় অত্যন্ত অসহায় ভাবে হাতুড়ির ঘায়ে নতুন আকার পেতে থাকা লৌহপিণ্ড থেকে ছিটকে ওঠা এক একটি লৌহকণিকার মত প্রতিবাদের স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে রয়েছে আজেরি সাহিত্যে ও শিল্পে।
          মির জালাল পাসাইয়েভ (Mir Cəlal Paşayev)-এর জন্ম ২৬ এপ্রিল ১৯০৮ ইরানে এবং মৃত্যু বাকু শহরে ১৯৭৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর। তাঁর লেখালেখির নাম ‘মির জালাল’ সাহিত্যে জগতে অধিক পরিচিত। ছাত্রজীবনেই মির জালালের লেখালেখির হাতেখড়ি, সংবাদপত্রের ফিচার লিখে তাঁর সাহিত্য রচনার শুরুয়াত।
মূল আজেরি থেকে ইংরেজি অনুবাদ – বেটি ব্লেয়ার]